
মরিশাস দেশের অদ্ভুত কিছু তথ্য
আফ্রিকা মহাদেশের এই দ্বীপ রাষ্ট্রটি আফ্রিকার মূল ভূখণ্ড থেকে ২০০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। ফ্রান্সের উপনিবেশ থাকাকালীন অবস্থায় এর নাম ছিল আইলস ডি ফ্রান্স। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের নিকট থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের উপনিবেশ থাকার কারণে এখানে হাইব্রিড আইনি সিস্টেম বিদ্যমান। অর্থাৎ ব্রিটিশ কমন এবং ফ্রান্স সিভিল আইন প্রতিষ্ঠিত।
এখানে বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষ এবং বিভিন্ন রকম সাংস্কৃতিক বৈচিত্র বিদ্যমান। ভারতীয়,আফ্রিকান,চীন এবং ফ্রান্স বংশোদ্ভূত মানুষ এখানে বসবাস করে থাকে।
জনসংখ্যার অর্ধেক হিন্দুধর্মাবলম্বী। খিষ্টান ৩২%, মুসলিম ১৭%।
বয়স্কদের মধ্যে সাক্ষরতার হার প্রায় ৯৫ শতাংশ।
জনসংখ্যার অর্ধেক হিন্দুধর্মাবলম্বী। খিষ্টান ৩২%, মুসলিম ১৭%।
বয়স্কদের মধ্যে সাক্ষরতার হার প্রায় ৯৫ শতাংশ।
এর সর্ববৃহৎ নগরী এবং রাজধানীর নাম হচ্ছে পোর্ট লুইস।
এখানে আফ্রিকা মহাদেশের একমাত্র হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকের বসবাস রয়েছে।
আয়তন মাত্র ২০৪০ বর্গ কিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ১২.৫ লক্ষ। ক্ষুদ্র এই দেশটিতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন রয়েছে।
আয়তন মাত্র ২০৪০ বর্গ কিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ১২.৫ লক্ষ। ক্ষুদ্র এই দেশটিতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন রয়েছে।
আইনত কোন সরকারি ভাষা না থাকলেও কার্যকরী ভাবে ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষা প্রচলিত।
উন্নত এ দেশটির বার্ষিক মাথাপিছু আয় ১২০০০ মার্কিন ডলার। আফ্রিকার অঞ্চলের অন্যতম সেরা উন্নত দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়। মুদ্রার নাম মরিশাসিয়ান রুপি। ভারত মহাসাগরে দেশটির রয়েছে মোট ২৩ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন। ট্যুরিজম এবং সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করে দেশটি অতি দ্রুত এগিয়ে গিয়েছে।
হিন্দি ভাষা অনুসারে এখানে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা রয়েছে। যার নাম হচ্ছে আপড়াভাসি ঘাট।
এই দেশটি কমনওয়েলথ অফ নেশন, লা ফ্রান্সফনি, আফ্রিকান ইউনিয়ন, ইন্ডিয়ান ওশান রিম এসোসিয়েশন এর সদস্য।
মানচিত্র

Tags
বিশ্ব পরিচিতি